নিজস্ব প্রতিবেদক: ওমান থেকে এক প্রবাসীর ২৭ ভরি স্বর্ণ এনে উধাও হয়ে গেছে মহিউদ্দিন শিকদার নামের ফটিকছড়ির এক প্রবাসী। স্বর্ণ না পেয়ে তাকে সহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন মো. হোসেন নামের ওই ব্যক্তি।
স্বর্ণ নিয়ে পালিয়ে যাওয়া ওমানপ্রবাসী মহিউদ্দিন শিকদারকে না পেয়ে ছাত্রলীগ নেতা জহিরুল ইসলাম জহিরকে নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
ওমানপ্রবাসী ফটিকছড়ির মহিউদ্দিন শিকদারের সঙ্গে একই এলাকার ফজলুল করিমের ছেলে আবদুল হালিমের সখ্যতা গড়ে উঠে। আবদুল হালিম ২১ সেপ্টেম্বর মহিউদ্দিন শিকদারকে ওমান থেকে দেশে আসার সময় ২৭ ভরি ওজনের দুটি স্বর্ণের বার ও দুটি চুড়ি দেন। এসব স্বর্ণের দাম অন্তত ১৬ লাখ ২০ হাজার টাকা।
চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে শুল্কসহ সব ধরনের প্রক্রিয়া শেষে আবদুল হালিমের তালাতো ভাই মো. হোসেনকে স্বর্ণগুলো বুঝিয়ে দেবে ওমানপ্রবাসী মহিউদ্দিন শিকদার। কিন্তু শাহ আমানত বিমানবন্দরে শুল্ক দেওয়ার পর মো. হোসেনকে স্বর্ণ দেওয়ার কথা বলে স্বর্ণের বার ও চুড়ি নিয়ে পালিয়ে যান মহিউদ্দিন শিকদার।
স্বর্ণ না পেয়ে মো. হোসেন বাদি হয়ে মহিউদ্দিন শিকদার এবং বিমানবন্দরে তাকে রিসিভ করতে যাওয়া স্ত্রী রাশেদা বেগম ও ছেলে মো. ইরফান এবং শালা জহিরুল ইসলাম জহিরের বিরুদ্ধে পতেঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, জহির যদি স্বর্ণ আত্মসাৎ করতো তাহলে তার ভগ্নিপতির মত সেও পালিয়ে যেত। সে তো পালিয়ে যায় নি। যে স্বর্ণ নিয়ে পালিয়েছে তাকে গ্রেপ্তার না করে বিমানববন্দরে তাকে রিসিভ করতে যাওয়া ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হলো কেন?
এসএস/বাংলাবার্তা
