ঘুম থেকে উঠে বিবৃতি দিয়ে কিছু মন্ত্রী জোকারে পরিণত হয়েছে, সাংসদ বাদশা


নিজস্ব প্রতিবেদক


করোনা ভাইরাস (কভিড-১৯) সংক্রমণের আশঙ্কায় রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও বগুড়া অঞ্চল লকডাউন চান রাজশাহী-২ (সদর) আসনের সাংসদ ও বাংলাদেশ ওয়ার্কাস পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা।

সোমবার (২৩ মার্চ) বিকালে রাজশাহী মহানগর ওয়ার্কার্স পার্টির কার্যালয়ে বিনামূল্যে বিতরণের জন্য হ্যান্ড স্যানিটাইজার প্রস্তুতকাজের উদ্বোধনকালে তিনি এই কথা বলেন।


সাংসদ বলেন, রাজশাহীকে করোনাভাইরাস থেকে মুক্ত রাখতে হলে এর পার্শ্ববর্তী তিন জেলাকেও দ্রুত লকডাউন করতে হবে। কারণ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং বগুড়ায় বিদেশফেরত লোকের সংখ্যা বেশি এবং তাদের অনেকেই সরকারের নজরদারির বাইরে। তারা হারিয়ে গিয়েছে, খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। খবরের কাগজে আমরা দেখেছি।


তিনি বলেন, কোনোমতেই এই পথে এ সমস্ত এলাকার লোকজনকে ঢুকতে দেব না। নাটোর-নওগাঁ এবং বগুড়াকেও একইভাবে লকডাউন করা দরকার। প্রত্যেককে ঘরে থাকতে বলতে হবে। ১৪ দিন যদি বিদেশফেরতরা কোয়ারেন্টাইন করেন তাহলে রোগী থাকলে আমরা খুঁজে বের করতে পারব। একইসাথে চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ করা হলে আমরা এই দুর্যোগ থেকে বের হতে পারব।


ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, সরকারকে বলব, শ্রমিকদের এক মাসের বেতন দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দিন। আর যারা অত্যন্ত গরীব মানুষ, দিন আনে দিন খায়, তাদের বাড়িতে খাদ্য পৌঁছে দেয়ার একটা ব্যবস্থা নিন।

কিছু মন্ত্রী অহেতুক সকাল বেলা উঠে টেলিভিশনের সামনে কিংবা পত্রিকায় বিবৃতি দেন। এই ধরনের বিবৃতি দেয়া বন্ধ করতে হবে। কিছু মন্ত্রী তো রীতিমতো জোকারে পরিণত হয়েছেন। এতে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে।


তিনি বলেন, রাজশাহীতে করোনাভাইরাস শনাক্তের যন্ত্রপাতি কত দ্রুত আনা যায় সে ব্যাপারে আমি সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ওপরে প্রতিনিয়ত চাপ সৃষ্টি করছি। সরকার যদি আমাদের সহযোগিতা করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তার দায় সরকারকেই নিতে হবে।


এর আগে হ্যান্ড স্যানিটাইজার প্রস্তুতকরণ উদ্বোধন করা হয়। রাজশাহী মহানগর ওয়ার্কার্স পার্টি এক লাখ বোতল হ্যান্ড স্যানিটাইজার সাধারণ মানুষের মাঝে বিতরণ করবে। এতে সহযোগিতা করছে নগর যুবমৈত্রী, ছাত্র মৈত্রী, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশন এবং নারী মুক্তি সংসদ।


এফএস/এমএইচ/বাংলাবার্তা