হাহাকার চিত্র চট্টগ্রাম বিনোদন কেন্দ্রগুলোর !

360
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
খাঁচায় বন্দী বাঘ, আছে সিংহও। তবে নেই কোন দর্শনার্থী। সুনসান নীরবতার এই চিত্র চট্টগ্রাম চিড়িয়খানার।
যেখানে বিনোদনের সব আয়োজন থাকলেও দর্শনার্থী শূণ্যতায় এক প্রকার নিস্তব্ধতা নেমে এসেছে সবগুলোয় বিনোদন কেন্দ্রে।
 
করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে প্রশাসনের সিদ্ধান্তে এবারেও ঈদে খোলেনি চট্টগ্রামের বিনোদন কেন্দ্রগুলো।
ফলে ঈদের ছুটিতে খাঁ খাঁ করছে সবগুলো বিনোদন কেন্দ্র।কর্মকর্তা,দর্শনার্থীরা সেখানে এলেও ফিরছেন হতাশ হয়ে।
চট্টগ্রামে এরকম ছোট বড় বিনোদন কেন্দ্র আছে প্রায় ৭টি।,কর্তৃপক্ষের দাবি, বন্ধের সময় দীর্ঘ হওয়ায় বাড়ছে তাদের ক্ষতির পরিমাণ।
এ যেমন ফয়েজ লেক,যেখানে প্রস্তুত নাগর দোলা,বাম্পার কার বা বাচ্চাদের বিনোদনের নানা রাইডস। তবে দর্শনার্থী প্রবেশ বন্ধ থাকায় যেন নিঃসঙ্গ সকল স্থাপনা। একাকীই যেন এসবের সঙ্গী।
 
করোনা পরিস্থিতির কারণে গেল মার্চ থেকে বন্ধ সবগুলো বিনোদন কেন্দ্র।খোলেনি ঈদুল ফিতরের সময়েও। এবারের ঈদে খোলা আছে
এমন আশায় অনেক দর্শনার্থী এলেও ফিরে যেতে এসে হতাশ হতে হয়েছে।
 
চট্টগ্রাম শিশু পার্কে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা আসিফুল ইসলাম নামের এক দর্শনার্থী বলেন,”ঘুরতে আসছিলাম ছেলে মেয়ে নিয়ে,কিন্ত বন্ধ থাকায় কষ্ট নিয়েই ফিরে যাচ্ছি।”
 
চিড়িয়াখানায় ঘুরতে আসা আসমা বেগম বলেন, আমি আমার আপু,ভাইয়েদের নিয়ে আসছি।এসে দেখি চিরিয়াখানা বন্ধ।
 
তবে এক দশনার্থী দাবী জানিয়েছেন স্বাস্থবিধি মেনে ঘুরতে দিলে আমরা ঘুরতে পারতাম।
 
সংশ্লিষ্টদের দাবী, গেল ৪মাসে শুধু চট্টগ্রামে এ খাতে ক্ষতি হয়েছে অন্তত ৬কোটি টাকা। তাই স্বাস্থবিধি মেনে একেন্দ্র গুলো খুলে দেবার দাবী তাদের।
 
ফয়েজ লেকের উপ-ব্যবস্থাপক বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, ৩০০জন কর্মচারী কর্মকর্তার মেইনটেইনিং খরচ, নিরাপত্তারক্ষীদের খরচ সব মিলিয়ে প্রতি মাসে প্রায় ৪০লাখ টাকা করে খরচ হচ্ছে।এই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আমরা কতৃপক্ষের কাছে দাবী জানিয়েছি স্বাস্থবিধি মেনে খোলার জন্য।”
 
এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম চিড়িখানার ডেপুটি কিউরেটর শাহাদাত হোসেন শুভ বলেন,”আমরা যদি সেরকম নির্দেশনা পাই তাহলে আমরা সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে,জীবাণুনাশক স্প্রে ব্যবহার করে,মাস্ক পরিধান করে বিনোদন কেন্দ্রগুলো খুলতে পারবো।”
এসএস/এফএম/বাংলাবার্তা