নবীগঞ্জে শেষ হল তিনদিন ব্যাপী একুশে বই মেলা

নবীগঞ্জ(হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার ৩ নং ইনাতগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত তিনদিন ব্যাপী মহান একুশের আলোকে বই মেলার কার্যক্রম আজ ২৩ ফেব্রুয়ারি (রবিবার) সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
মেলা সমাপনী দিনে উপস্থিত ছিলেন ইনাতগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বদরুল আলম। নবীগঞ্জ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জনাবা নাজমা বেগম, জেলা প্যানেল চেয়ারম্যান শিরিন আক্তার,
লন্ডন প্রবাসী গোলাম কিবরিয়া,কামরুল হাসান,শাহ আলমগীর, নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সহসভাপতি ও ইনাতগঞ্জ যুবলীগের সভাপতি আশাহীদ আলী আশা, দৈনিক নতুন কাগজ পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি মান্না, দৈনিক একুশে সংবাদ প্রতিনিধি নাজমুল ইসলাম, সুলতান আহমদ ও ৩নং ছাত্রলীগ নেতা জুনেল আহমেদ প্রমূখ। এছাড়াও বিভিন্ন সংগঠনের নেতূবূন্দ,শিক্ষক,অভিবাবক ও ছাত্রছাত্রীর সমাগম ঘটে।
সুত্র, একুশে বই মেলা সম্পূর্ণ করতে গত প্রায় এক মাস ধরে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বদরুল আলম । লন্ডন প্রবাসী গোলাম কিবরিয়া,কামরুল হাসান,শাহ আলমগীরসহ অন্যান্যদের সার্বিক সহযোগিতায় গত (২১ফেব্রুয়ারি) শুক্রবার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে ফিতা কেটে ৩দিন ব্যাপী মেলার উদ্বোধন করেন নবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব সাইফুল জাহান চৌধুরীর। বক্তব্য রাখেন ইনাতগঞ্জ আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল খালিক,সাধারন সম্পাদক মুজিবুর রহমান,সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিল হোসেন,নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সহসভাপতি ও ইনাতগঞ্জ যুবলীগের সভাপতি আশাহীদ আলী আশা,লন্ডন প্রবাসী গোলাম কিবরিয়া,শাহ আলমগীর,কামরুল হাসান প্রমূখ। এছাড়াও বিভিন্ন সংগঠনের নেতূবূন্দ,শিক্ষক,অভিবাবক ও ছাত্রছাত্রী বৃন্দ।
আজ একুশে বই মেলার সমাপনী দিনে মেলা পরিদর্শন করতে আসেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জনাবা নাজমা বেগম তিনি বলেন আমাদের ভাইয়ের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত মায়ের ভাষা। বাংলা ভাষা। তাই আমাদেরকে বেশী বেশী করে বাংলা ভাষার চর্চা করতে হবে গল্প উপন্যাস, ইতিহাসের বই পড়তে হবে। এ বাংলা ভাষা রক্ষা করতে বুকের তাজা রক্ত দিতে হয়েছে আমাদের কিন্তূ ডিজিটাল বাংলাদেশ ফেইসবুকে যখন ভুল বাংলা ব্যবহার দেখি তখন খুব কষ্ট হয় বলে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন। কবি মোস্তফা বলেন, বই মানুষের পরম বন্ধু, বই মানুষের জ্ঞানকে বিকশিত করে,বই জীবিত ও মৃত মানুষের মধ্যে একটি সম্পর্ক সৃষ্টি করে। অজানা বিশ্বকে জানতে হলে প্রত্যাক মানুষকে বইয়ে সংস্পর্শে থাকতে হবে বলে তিনি মনে করেন।
মহান একুশে বই মেলায় মোট ১৫ টি ষ্টল বসেছিল। সমাপনী দিনে মেলায় শিক্ষার্থীসহ দর্শনার্থীদের ভিড় ছিলো চোখে পড়ার মতো।
প্রধান শিক্ষক বদরুল আলম জানান,প্রথমবারের মতো একুশে বই মেলায় আমরা ব্যাপকভাবে সাড়া পেয়েছি। প্রতি বছর বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বই মেলার আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছে তিনি। এ ব্যাপারে তিনি এলাকাবাসীর সার্বিক সজযোগিতা কামনা করেন। মেলাকে কেন্দ্র করে জ্ঞানী গুণীজন, শিক্ষক,ছাত্রছাত্রী ও এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ করা গেছে।

বাংলাবার্তা/আরএইচ