১০০ দিন পর পুরোনোরুপে কুয়াকাটা সৈকত

সোহরাব সাহল:
 

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর দেশের অন্যতম সৌন্দর্যরূপে ঘেরা কুয়াকাটা সৈকত চালু করেছে প্রশাসন। পহেলা জুলাই থেকে জেলা প্রশাসনের ১৪টি বিধি মেনে পর্যটকরা সৈকতে প্রবেশ করতে পারছেন।

 
প্রায় ১৮ কিলোমিটার দীর্ঘদিন কুয়াকাটা সৈকত বাংলাদেশে দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত। কক্সবাজারের পর পর্যটকদের কাছে পছন্দের সৈকত হচ্ছে কুয়াকাটা সৈকত। পর্যটন মৌসুমের পাশাপাশি বছরজুড়ে কুয়াকাটা সৈকতে ভিড় জমান পর্যটকরা।
 
 
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় গত ১৮ মার্চ থেকে কুয়াকাটা সৈকত লকডাউন ঘোষণা করা হয়। ফলে বন্ধ হয়ে যায় প্রায় চার শতাধিক হোটেল, মোটেল, রেস্তোরাঁ, কটেজসহ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। মৌসুমে বন্ধ হয়ে যাওয়াতে ক্ষতির মুখে পড়ে ব্যবসায়ীরা।
 
হোটেল মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, কুয়াকাটা সৈকতে ঘিরে প্রায় ৫ হাজারের মানুষের জীবিকা নির্বাহ হয়। কিন্তু সৈকত লকডাউন করার পর মালিক, শ্রমিকরা সবাই বেকার হয়ে পড়েন।
 
হোটেল মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এমএ মোতালেব শরীফ জানান, ৩ মাস ১৩ দিন পর সৈকত চালুর করার ঘোষণা দিয়েছে প্রশাসন। আমরা তাই প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়েছি। তবে প্রশাসন ১৪টি বিধি মেনে চলার শর্তে সৈকত চালুর অনুমতি দিয়েছি।
 
এরমধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্যবিধি মেনে হোটেলে পর্যটকের অবস্থান, পর্যটক চলে যাওয়ার পর নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় হোটেল ক্লিন করে নতুন পর্যটকের উঠানো, জীবানুনাশক ব্যবহারসহ ইত্যাদি।
 
পটুয়াখালীর জেলার কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশে সাগরকন্যা হিসেবে পরিচিত। কুয়াকাটা সৈকতে সুর্যাস্ত এবং সুর্যোদয় দেখা আকর্ষণীয়। এজন্য পর্যটরকরা ভিড় করেন কুয়াকাটা সৈকতে।
 
 

এসএস/এমএইচ/বাংলাবার্তা